টেলিযোগাযোগ খাতকে জরুরি সেবার আওতায় এনে বিশেষ জ্বালানি বরাদ্দের দাবি বিটিএ’র

২১

টেলিযোগাযোগ খাতকে জরুরি সেবার আওতায় এনে বিশেষ জ্বালানি বরাদ্দের দাবি জানিয়েছে টেলিকম টাওয়ার কোম্পানিগুলোর সম্মিলিত সংগঠন বাংলাদেশ টাওয়ারকো অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএ)। সংগঠনটি বলছে, নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করতে দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে জাতীয় পর্যায়ে বড় ধরনের বিপর্যয় সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি দেশের সার্বিক অর্থনীতিতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
সম্প্রতি বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনায় বিষয়টি তুলে ধরে বিটিএ। একইসঙ্গে বর্তমান জ্বালানি সংকট পর্যালোচনা করে টেলিযোগাযোগ অবকাঠামোর জন্য অগ্রাধিকারভিত্তিতে বিশেষ জ্বালানি বরাদ্দ নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।
সংগঠনটি জানায়, দেশে বর্তমানে ৪৫ হাজারের বেশি টেলিকম টাওয়ার রয়েছে, যা বিদ্যুৎ গ্রিড এবং জ্বালানিনির্ভর ব্যাকআপ ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। চলমান জ্বালানি সংকট দীর্ঘায়িত হলে টাওয়ার পরিচালনায় বিঘ্ন সৃষ্টি হয়ে মোবাইল ও ইন্টারনেট সেবায় বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটতে পারে, যা কোটি গ্রাহকের জন্য ভোগান্তির কারণ হবে।
বিটিএ’র অন্তর্বর্তীকালীন সভাপতি ও ইডটকো বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর সুনীল আইজ্যাক বলেন, টেলিযোগাযোগ সেবা এখন ঝুঁকির মুখে রয়েছে। এ খাত সচল রাখতে টেলিযোগাযোগ অবকাঠামোকে জরুরি সেবার আওতায় এনে প্রয়োজনীয় নীতি সহায়তা ও জ্বালানি বরাদ্দ নিশ্চিত করা জরুরি।
তিনি বলেন, ব্যাংকিং, আইটি, ব্যবসা-বাণিজ্য, রপ্তানি কার্যক্রমসহ দেশের ডিজিটাল অর্থনীতির প্রায় সব খাতই টেলিযোগাযোগ সংযোগের ওপর নির্ভরশীল। সংযোগে বিঘ্ন ঘটলে এর প্রভাব পড়বে আর্থিক লেনদেন, জরুরি যোগাযোগ এবং জনসেবায়।
বিটিএ’র দাবি, সম্ভাব্য দুর্যোগ ও অর্থনৈতিক ক্ষতি এড়াতে সরকারকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে এবং টেলিযোগাযোগ খাতকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিশেষ জ্বালানি সহায়তার আওতায় আনতে হবে।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.