সীতাকুণ্ডের মঞ্জুর হত্যা মামলার প্রধান আসামি ঢাকার নর্দ্দা থেকে গ্রেপ্তার
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে মো. মঞ্জুর আহমেদ হত্যা মামলার এজাহারনামীয় ১ নম্বর প্রধান আসামি মেহেদী হাসান প্রকাশ রানা (৩২)কে ঢাকার গুলশান এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি) যৌথ আভিযানিক দল।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা ৫৫ মিনিটের দিকে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গুলশান থানাধীন ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের নর্দ্দা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এসআরবি-৭, চট্টগ্রাম ও এসআরবি-৩, মগবাজার, ঢাকার যৌথ আভিযানিক দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
এসআরবি সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআরবি-৭ জানতে পারে, সীতাকুণ্ড থানার মঞ্জুর আহমেদ হত্যা মামলার এজাহারনামীয় প্রধান আসামি মেহেদী হাসান প্রকাশ রানা ঢাকার গুলশান থানা এলাকায় অবস্থান করছেন। পরে তথ্যের ভিত্তিতে যৌথ আভিযানিক দল নর্দ্দা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার মেহেদী হাসান প্রকাশ রানা চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার গোলাবাড়িয়া এলাকার মোহাম্মদ হাসানের ছেলে।
সীতাকুণ্ড থানার মামলাটি ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে দায়ের করা হয়। মামলায় প্রথমে দণ্ডবিধির ১৪৩/৩২৪/৩২৫/৩২৬/৩০৬/৩৮৫/৫০৬(২)/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়। পরবর্তীতে এতে ৩০২ ধারা সংযোজন করা হয়।
প্রকাশিত এজাহারভিত্তিক প্রতিবেদনে জানা যায়, পুকুরে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে মঞ্জুর আহমেদের সঙ্গে আসামিদের বিরোধের সৃষ্টি হয়। ১৯ সেপ্টেম্বর তাকে বাধা দেওয়া ও ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ ওঠে। পরদিন ২০ সেপ্টেম্বর তাকে ডেকে নিয়ে ধারালো অস্ত্র, লোহার রড ও লাঠিসোঁটা দিয়ে হামলা করা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। হামলায় গুরুতর আহত মঞ্জুর আহমেদ পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এ ঘটনায় তার স্ত্রী রুমা আক্তার মামলা করেন।
মামলায় মেহেদী হাসান রানা ছাড়াও আরও সাতজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারের পর মেহেদী হাসান প্রকাশ রানাকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ডিএমপির হাতিরঝিল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.