চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় চিকিৎসার নামে মুখের ভেতর লাঠিসদৃশ বস্তু ঢোকানোর পর সাঈদ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ (১৮) নামের এক যুবকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তাঁর বাবা নুর মোহাম্মদকে আটক করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) উপজেলার জুলধা ইউনিয়নের ডাঙ্গারচর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাঈদ জন্মগতভাবে মানসিক প্রতিবন্ধী ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁর বিভিন্নভাবে চিকিৎসা চলছিল। তাঁর বাবা নুর মোহাম্মদও কবিরাজি চিকিৎসার সঙ্গে যুক্ত বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মঙ্গলবার বাড়িতে সাঈদের চিকিৎসা চলছিল। একপর্যায়ে চিকিৎসার নামে তাঁর মুখের ভেতর লাঠিসদৃশ একটি বস্তু ঢোকানো হয়। এতে তাঁর নাক ও মুখ দিয়ে রক্তপাত শুরু হয়। পরে বিকেলে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয় বলে জানা গেছে।
জুলধা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সাইফুল ইসলাম বদি বলেন, ‘কোনো এক ভণ্ড পীরের পরামর্শ অনুযায়ী মানসিক ভারসাম্যহীন ছেলের চিকিৎসা করতে গিয়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে শুনেছি। ছেলেকে হারিয়ে মা-বাবা দুজনই মানসিকভাবে বিপর্যস্ত।’
খবর পেয়ে কর্ণফুলী থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সাঈদের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।