কল্পলোকে চউকের অভিযান: নকশাবহির্ভূত ৮ স্থাপনা সিলগালা, জরিমানা ১৩ লাখ টাকা

চট্টগ্রাম,অবৈধ ও নকশাবহির্ভূত ভবন নির্মাণের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান অব্যাহত রেখেছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (চউক)। এরই ধারাবাহিকতায় নগরীর বাকলিয়া থানাধীন কল্পলোক আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৮টি স্থাপনা সিলগালা, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন এবং তিন ভবন মালিককে মোট ১৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার চউকের স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হামীমুন তানজীনের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত এ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যরা সহযোগিতা করেন।

চউক সূত্র জানায়, কল্পলোক আবাসিক এলাকার বিভিন্ন নির্মাণাধীন ভবন পরিদর্শনকালে বাধ্যতামূলক সেটব্যাক সংরক্ষণ না করা, অনুমোদিত নকশা থেকে বিচ্যুতি এবং অন্যান্য অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়। এসব অভিযোগে ইমারত নির্মাণ আইন, ১৯৫২-এর ধারা ১২(১) অনুযায়ী নকশাবহির্ভূতভাবে নির্মিত ৭টি বহুতল ভবন ও একটি অনুমোদনহীন গুদাম সিলগালা করা হয়। পাশাপাশি স্থাপনাগুলোর বিদ্যুৎ সংযোগও বিচ্ছিন্ন করা হয়।

এছাড়া আইন লঙ্ঘনের দায়ে তিনজন ভবন মালিককে মোট ১৩ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাদের এক বছরের কারাদণ্ডের আদেশও দেওয়া হয়।

চউকের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন বলেন, “কোনো অবস্থাতেই নকশাবহির্ভূত ভবন নির্মাণ করা যাবে না। নগরবাসীকে অনুরোধ করব, কষ্টার্জিত অর্থ ব্যয় করে নিয়মবহির্ভূত স্থাপনা নির্মাণ করবেন না। অন্যথায় আইন অনুযায়ী সেই স্থাপনা ভেঙে ফেলতে চউক বাধ্য হবে।”

তিনি আরও বলেন, পরিকল্পিত, নিরাপদ ও বাসযোগ্য নগর গড়ে তুলতে চউক নকশাবহির্ভূত নির্মাণের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও আরও ব্যাপকভাবে পরিচালিত হবে।

অভিযানকালে চউকের অথরাইজড অফিসার-২ কাজী কাদের নেওয়াজ, সহকারী অথরাইজড অফিসার আসাদ বিন আনোয়ার, সহকারী অথরাইজড অফিসার ফারুক আহাম্মদ এবং সংশ্লিষ্ট ইমারত পরিদর্শকরা উপস্থিত ছিলেন।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.