চট্টগ্রামে নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে যুবলীগ-ছাত্রলীগসহ ১৩ নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার

১০

চট্টগ্রামের বন্দর থানাধীন বারেক বিল্ডিং এলাকার ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালের দক্ষিণ পাশে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা ও রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের ১৩ নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৫ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ সকাল আনুমানিক ১০টা ২৫ মিনিটে মাথায় সাদা কাপড় বেঁধে দুইটি যাত্রীবাহী বাসযোগে কয়েকজন ব্যক্তি বারেক বিল্ডিং এলাকায় সমবেত হয়ে মিছিল শুরু করে। তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্র ও সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র এবং জনসাধারণের ক্ষতি সাধনের লক্ষ্যে নাশকতা সৃষ্টির প্রস্তুতির অভিযোগ আনা হয়েছে।

খবর পেয়ে ডবলমুরিং থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন অলিগলি দিয়ে পালিয়ে যায় বলে জানায় পুলিশ। পরে ঘটনাস্থল থেকে মিছিলে ব্যবহৃত দুইটি যাত্রীবাহী বাস, চারটি সাদা কাপড়ের টুকরা, ১০টি লাঠি এবং ১৩টি ইটের টুকরা উদ্ধার করা হয়।

পরবর্তীতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) বিভিন্ন ইউনিট অভিযান পরিচালনা করে মিছিলে অংশগ্রহণকারী ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন হালিশহর থানা যুবলীগের সভাপতি মো. ওমর ফারুক (৪৪), ডবলমুরিং থানা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহমদ রেজা (৩২) এবং কর্ণফুলী থানা যুবলীগের সক্রিয় সদস্য ও ইউপি সদস্য পদপ্রার্থী মো. ইরফান (৩২)সহ আরও ১০ জন।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তাদের আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এছাড়া এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্য পলাতক ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করতে পারে এমন যেকোনো নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড কঠোরভাবে দমন করা হবে এবং এ ধরনের ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.