চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের দায়িত্বশীল সমাবেশ অনুষ্ঠিত: ৫ ডিসেম্বর লালদিঘীতে ৮ দলের সমাবেশে বক্তব্য দেবেন শীর্ষ নেতারা

চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত দায়িত্বশীল সমাবেশে দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, গণভোটের সর্বোচ্চ মর্যাদা হলো সরাসরি ভোটারদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে আইনি ভিত্তি তৈরি করা। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গণভোট সাধারণত আলাদাভাবে আয়োজন করা হলেও অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে আয়োজনের ঘোষণা দিয়ে জটিলতা সৃষ্টি করেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াত কার্যালয়ে আয়োজিত এ সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, “একই দিনে দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে কোনটির ফল আগে ঘোষণা করা হবে, গণভোটে ‘না’ জয়ী হলে নির্বাচনের অবস্থান কী হবে—এসব প্রশ্নের উত্তর সরকারকেই দিতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, কিছু রাজনৈতিক দল ইতোমধ্যেই ‘না’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে, যা জুলাই আন্দোলনের সময় প্রাণহানি ও নানামুখী ক্ষতিকে অমর্যাদা করার শামিল। গণভোটে সংস্কারের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট নিশ্চিত করতে তিনি নগরবাসীসহ দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।

মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম ঘোষণা দেন, ৫ ডিসেম্বর লালদিঘীর ঐতিহাসিক মহাসমাবেশে জামায়াতের আমীর ডা. শফিকুর রহমানসহ শীর্ষ নেতারা বক্তব্য রাখবেন। তিনি বলেন, গণভোট আলাদাভাবে আয়োজন, পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধকরণসহ অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করতে সরকারের ওপর জনগণের চাপ বাড়াতে হবে।

সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগরীর সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিন, এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মোহাম্মদ উল্লাহ, ফয়সাল মুহাম্মদ ইউনুস, মোরশেদুল ইসলাম চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. সিদ্দিকুর রহমানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.