বন্দর এলাকায় মিছিল- মিটিং -সমাবেশ- করলে দ্রুত বিচার আইনে মামলা সহ কঠোর ব্যবস্থা– জরুরী বিজ্ঞপ্তি জারি —

গতকাল ২৯ জানুয়ারী অফিস চলাকালীন সময়ে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের আওতাধীন এনসিটি প্রজেক্ট বিষয়ক একটি রীটে মহামান্য হাইকোর্টের রায়কে কেন্দ্র করে উক্ত রায়ের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম বন্দরের কতিপয় কর্মচারী কন্দর ভবনে, স্কয়ারে এবং বন্দর ভবন এলাকায় মিছিলে অংশগ্রহণ করে আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে বিরুপ মন্তব্য করে, দলবদ্ধভাবে মহড়া দিয়ে বিশৃঙ্খলা ও অরাজক পরিস্থিতি তৈরি করে, সরকারী সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আন্দোলন, মিটিং-মিছিলে অংশগ্রহণ করে এবং গণমাধ্যমে বক্তব্য/ পোস্ট প্রদান করে যা আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন-২০০২, চট্টগ্রাম বন্দর কর্মচারী চাকরি প্রবিধানমালা-১৯৯১, সরকারী কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা-১৯৭৯, সরকারী কর্মচারী (নিয়মিত উপস্থিতি) বিধিমালা-২০১৯ ও সরকারী পরিপত্র অনুযায়ী সুস্পষ্ট পেশাগত অসদাচরণ এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
উক্ত কর্মকান্ডের মাধ্যমে বন্দরের কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করছে এবং রাষ্ট্রীয় স্বার্থ বিরোধী কাজ করেছে/করছে। ইতোঃপূর্বে এই বিষয়ে সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সতর্ক করা হয়েছে।

এমতাবস্থায়, চট্টগ্রাম বন্দরের সকল কর্মকর্তা/কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরুপ কর্মকান্ড হতে সম্পূর্নভাবে বিরত থাকার নির্দেশ দেয়া যাচ্ছে। অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে বর্নিত ও প্রযোজ্য সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি মোতাবেক শান্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদক্রমে এই বিজ্ঞপ্তি জারি করা হলো।