দ্বৈত নাগরিকত্ব জটিলতায় জামায়াত প্রার্থী ফজলুল হকের আপিল নামঞ্জুর, আদালতে যাওয়ার ইঙ্গিত

সোমবার নির্বাচন কমিশনে জামায়াতের প্রার্থী এ কে এম ফজলুল হকের আপিল শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুনানি শেষে তার আবেদন নামঞ্জুর করে কমিশন। ফলে কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তিনি আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারছেন না। তবে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে যাওয়ার চিন্তাভাবনা করছেন ফজলুল হক।

শুনানি শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ফজলুল হক। তিনি বলেন, “আমার প্রতি বৈষম্য করা হয়েছে। বিএনপির অনেক প্রার্থী দ্বৈত নাগরিকত্ব সংক্রান্ত কাগজপত্র দাখিল না করলেও তাদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু রিটার্নিং অফিসারের মতো নির্বাচন কমিশনও আমার প্রার্থিতা বাতিল রেখেছে। এখন আইনজীবীর সঙ্গে আলোচনা করে আদালতে যাওয়ার বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেব।”

এর আগে গত ৪ জানুয়ারি দ্বৈত নাগরিকত্ব জটিলতার কারণে এ কে এম ফজলুল হকের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন।

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে জমা দেওয়া হলফনামায় ফজলুল হক উল্লেখ করেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ছিলেন এবং গত ২৮ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন। তবে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের সময় রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় জানায়, হলফনামায় নাগরিকত্ব ত্যাগের কথা উল্লেখ থাকলেও তার পক্ষে কোনো সমর্থনকারী নথিপত্র দাখিল করা হয়নি।

ওইদিন সংশ্লিষ্ট আসনে বিএনপির প্রার্থী আবু সুফিয়ানের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়।

উল্লেখ্য, মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে মোট ৬৪৫টি আপিল জমা পড়েছে। শনিবার থেকে শুরু হওয়া এসব আপিলের শুনানি চলবে আগামী ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত।