অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার কামরুল হাসানের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা, ১৭.৬২ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগ

চট্টগ্রামে অবসরপ্রাপ্ত এক অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনারের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার (১ এপ্রিল) দুদক চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ মামলাটি দায়ের করেন কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সায়েদ আলম। মামলায় আসামি করা হয়েছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) সাবেক অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম/প্রসিকিউশন) মোহাম্মদ কামরুল হাসানকে।

দুদক চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এর উপপরিচালক সুবেল আহমেদ জানান, অসাধু উপায়ে অর্জিত সম্পদ ভোগদখলে রাখা এবং মিথ্যা তথ্য প্রদান করার অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, দুদকের নির্দেশে ২০২৪ সালের ৩ নভেম্বর কামরুল হাসান তার সম্পদ বিবরণী জমা দেন। এতে তিনি প্রায় ১৯ কোটি ২০ লাখ টাকার সম্পদ ঘোষণা করেন। তবে দুদকের অনুসন্ধানে তার নামে প্রায় ২৯ কোটি ৯৯ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়।

অনুসন্ধানে ঘোষিত ও প্রকৃত সম্পদের মধ্যে প্রায় ১০ কোটি ৭৮ লাখ টাকার গরমিল পাওয়া গেছে, যা তিনি গোপন করে মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এছাড়া তার বৈধ আয়ের উৎস হিসেবে প্রায় ৭ কোটি ৭৫ লাখ টাকা পাওয়া গেলেও, তার প্রকৃত নীট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ২৫ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। ফলে প্রায় ১৭ কোটি ৬২ লাখ টাকার সম্পদ জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ বলে দুদকের তদন্তে উঠে এসেছে।

দুদক জানিয়েছে, বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.